- মেয়াদী প্রকল্প বীমা
- মাল্টিপল স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বীমা
- পেনশন বীমা
- শিশু নিরাপত্তা বীমা
- ইসলামী মোহরানা বীমা
- ইসলামী মেয়াদী হজ্ব বীমা
- মেয়াদী বীমা
- সন্ধানী ডিপিএস
মেয়াদী প্রকল্প বীমা
বীমার মেয়াদ ও গ্রাহকের বয়স
- ১০, ১২ ও ২০ বছর মেয়াদী পলিসি গ্রহন করা যায়।
- বীমার শুরুতে বীমা গ্রাহকের বয়স কোনক্রমেই ন্যূনতম ১৮ এবং সর্বোচ্চ ৫০ বৎসর অতিক্রম করতে পারবে না।
প্রিমিয়াম প্রদান পদ্ধতি
- গ্রাহক কর্তৃক প্রস্তাবিত পূর্ণ মেয়াদ পর্যন্তই প্রিমিয়ামের টাকা জমা দিতে হবে।
- প্রিমিয়াম ত্রৈমাসিক/অর্ধবার্ষিক/বার্ষিক পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাবে।
- যদি কোন গ্রাহক ইচ্ছে করে তাহলে সর্বোচ্চ (১২ মাস) এক বছর এর প্রিমিয়াম অগ্রিম জমা দিতে পারবেন।
প্রিমিয়ামের পরিমাণ
বীমা গ্রাহকের বয়স, পলিসির মেয়াদ এবং বীমা অংকের উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হবে।
মেয়াদপূর্তিতে প্রতিপ্রাপ্য
বীমাকৃত ব্যক্তি মেয়াদপূর্তি পর্যন্ত জীবিত থাকলে বীমা অংকের উপর আকর্ষণীয় লাভসহ পুরো বীমা অংক এককালীন আকারে প্রদান করা হবে।
মৃত্যুতে প্রতিপ্রাপ্য
বীমা সচল থাকা অবস্থায় মেয়াদের মধ্যে যে কোন সময় বীমাকৃত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে তার মনোনীতক (গণ) মৃত্যুদিন পর্যন্ত অর্জিত লাভসহ পুরো বীমা অংক পাবেন।
অন্যান্য সুবিধাসমূহ
- কমপক্ষে নিয়মিত দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদান করার পর পলিসি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিশোধিত বীমায় রূপান্তরিত হবে।
- কমপক্ষে নিয়মিত দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদান করার পর পলিসিটি সমর্পণ মূল্য অর্জন করবে।
- দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদানের পর বীমা চালু থাকলে প্রয়োজনে সমর্পন মূল্যের সর্বোচ্চ ৯০% পলিসি ঋণ গ্রহণ করা যায়।
- প্রদত্ত প্রিমিয়ামের উপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়।
মাল্টিপল স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বীমা
পরিকল্পের সুবিধাসমূহ
বীমাগ্রাহকের ঝুঁকি গ্রহণ ও সঞ্চয়ের পাশাপাশি নানাবিধ অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান করাই মাল্টিপল স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা পরিকল্পের লক্ষ্য। বহুমুখী এ পরিকল্পের নানাবিধ সুবিধাবলীর বিবরণ নিম্নে দেয়া হলোঃ
পরিকল্পের বৈশিষ্ট্য
- পরিকল্পের সময়কাল: ১২ বছর
- সর্বোচ্চ বীমার পরিমাণ: ৩ লক্ষ টাকা
- বীমা গ্রাহকের বয়সসীমা: ১৮-৫৫ বছর
- প্রিমিয়াম প্রদান পদ্ধতি: বার্ষিক
মৃত্যু সুবিধা
বীমা চালু থাকা অবস্থায় মেয়াদের মধ্যে বীমাকৃত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে বীমা অংকের দ্বিগুন অর্থ তার মনোনীতক (গণ) কে প্রদান করা হবে।
মেয়াদোত্তীর্ণ সুবিধা
- বীমার মেয়াদপূর্তি পর্যন্ত গ্রাহক বেঁচে থাকলে পুরো বীমা অংক প্রদান করা হয়।
- কমপক্ষে তিন বছর প্রিমিয়াম প্রদান করার পর পলিসিটি সমর্পণ মূল্য অর্জন করবে।
- প্রদত্ত প্রিমিয়ামের উপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়।
হাসপাতাল সুবিধা
- বীমার মেয়াদের মধ্যে গ্রাহক কোন অসুস্থতায় বা দুর্ঘটনায় হাসপাতালে ভর্তি হলে বীমা অংকের সর্বোচ্চ ৫০% পর্যন্ত চিকিৎসা বাবদ খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে।
- একজন গ্রাহক বীমার মেয়াদের মধ্যে বছরে একটি সহ সর্বোচ্চ তিনটি হাসপাতাল দাবীর জন্য আবেদন করতে পারবে।
- দাবীপত্রে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের ডাক্তারের সুপারিশ থাকতে হবে।
- উপরন্তু মেয়াদ শেষে সম্পূর্ন বীমা অংক প্রদান করা হবে।
স্থায়ী ও সম্পূর্ণ অক্ষমতা (PTD)
নিম্নে উল্লেখিত অঙ্গহানী হলে গ্রাহককে বীমা অংকের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়ে থাকেঃ
- উভয় চোখের দৃষ্টিশক্তি চিরতরে ও সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট হলে।
- কব্জির উপরে উভয় হাত কাটা গেলে।
- গোড়ালির উপরে উভয় পা কাটা গেলে।
- গোড়ালির উপরে এক পা কাটা গেলে এবং এক চোখের দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট হলে।
- গোড়ালির উপরে এক পা কাটা গেলে এবং কব্জির উপরে এক হাত কাটা গেলে।
- কব্জির উপরে এক হাত কাটা গেলে এবং এক চোখের দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট হলে।
- উপরোক্ত সুবিধা ছাড়াও বীমার মেয়াদ শেষে সম্পূর্ণ বীমা অংক প্রদান করা হয়ে থাকে।
স্থায়ী ও আংশিক অক্ষমতা (PPD)
নিম্নে উল্লেখিত অঙ্গহানী হলে গ্রাহককে বীমা অংকের অর্ধেক ক্ষতিপূরণ হিসাবে প্রদান করা হয়ে থাকেঃ
- গোড়ালির উপরে এক পা কাটা গেলে অথবা কব্জির উপরে এক হাত কাটা গেলে।
- উভয় কানের শ্রবণশক্তি চিরতরে বিনষ্ট হলে।
- যেকোন এক চোখের দৃষ্টিশক্তি চিরতরে বিনষ্ট হলে।
- হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল অথবা তর্জনী আঙ্গুল সম্পূর্ণরূপে কাটা গেলে।
- উপরোক্ত সুবিধা ছাড়াও বীমার মেয়াদ শেষে সম্পূর্ণ বীমা অংক প্রদান করা হয়ে থাকে।
পেনশন বীমা
বীমার মেয়াদ ও গ্রাহকের বয়স
- এই বীমা গ্রহণ করার পর বীমা গ্রহীতার বয়স ন্যূনতম ৫০ এবং সর্বোচ্চ ৬০ বছর এর মধ্যে পেনশন গ্রহণ শুরু করতে হবে।
- বীমা গ্রহীতার বীমা গ্রহণকালীন হতে পেনশন গ্রহণের মধ্যবর্তী সময় পর্যন্ত পেনশন বীমার মেয়াদ হিসেবে গণ্য হবে।
প্রিমিয়াম প্রদান
- গ্রাহক কর্তৃক প্রস্তাবিত পূর্ণ মেয়াদ পর্যন্তই প্রিমিয়ামের টাকা জমা দিতে হবে।
- প্রিমিয়াম ত্রৈমাসিক/অর্ধবার্ষিক/বার্ষিক পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাবে।
- যদি কোন গ্রাহক ইচ্ছে করে তাহলে সর্বোচ্চ (১২ মাস) এক বছর এর প্রিমিয়াম অগ্রিম জমা দিতে পারবেন।
প্রিমিয়ামের পরিমাণ
বীমা গ্রাহকের বয়স, পলিসির মেয়াদ এবং বীমা অংকের উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হবে।
মেয়াদপূর্তিতে প্রতিপ্রাপ্য
মাসিক ভিত্তিতে আমৃত্যু পেনশন প্রদান অব্যাহত থাকবে।
মৃত্যুতে প্রতিপ্রাপ্য
মেয়াদের মধ্যে যে কোন সময় বীমাকৃত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে তার মনোনীতক (গণ) পুরো বীমা অংক পাবেন।
অন্যান্য সুবিধাসমূহ
- বীমার মেয়াদের মধ্যে বীমা গ্রহীতার মৃত্যুতে বার্ষিক পেনশনের দশগুন বীমা অংক মনোনীতক (গণ) কে প্রদান করা হয়। পেনশন শুরুর ১০ বছরের মধ্যে পেনশন গ্রহীতার মৃত্যুতে ১০ বছরের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য মনোনীতক (গন) কে পেনশন সুবিধা প্রদান করা হয়।
- প্রদত্ত প্রিমিয়াম এর উপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়।
শিশু নিরাপত্তা বীমা
বীমার মেয়াদ ও গ্রাহকের বয়স
- বীমার শুরুতে প্রিমিয়াম দাতার বয়স কোনক্রমেই ন্যূনতম ২০ বছর এবং সর্বোচ্চ ৫০ বছর অতিক্রম করতে পারবে না।
- বীমার শুরুতে শিশুর বয়স ন্যূনতম ৬ মাস এবং সর্বোচ্চ ১৫ বছর অতিক্রম করতে পারবে না।
- মেয়াদপূর্তিকালীন শিশুর বয়স ন্যূনতম ১৮ এবং সর্বোচ্চ ২৫ বৎসরের মধ্যে থাকতে হবে।
প্রিমিয়াম প্রদান
- গ্রাহক কর্তৃক প্রস্তাবিত পূর্ণ মেয়াদ পর্যন্তই প্রিমিয়ামের টাকা জমা দিতে হবে।
- প্রিমিয়াম ত্রৈমাসিক/অর্ধবার্ষিক/বার্ষিক পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাবে।
- যদি কোন গ্রাহক ইচ্ছে করে তাহলে সর্বোচ্চ (১২ মাস) এক বছর এর প্রিমিয়াম অগ্রিম জমা দিতে পারবেন।
প্রিমিয়ামের পরিমাণ
প্রিমিয়াম দাতার বয়স, বীমার মেয়াদ ও বীমা অংকের উপর নির্ভর করে নির্ধারণ হবে।
প্রিমিয়াম দাতার মৃত্যুতে প্রতিপ্রাপ্য
- বীমা সচল থাকা অবস্থায় প্রিমিয়াম দাতা মৃত্যুবরণ করলে উক্ত বীমার ভবিষ্যৎ সকল পরিশোধযোগ্য প্রিমিয়াম মওকুফ হয়ে যাবে এবং পলিসিটি পুরোপুরি সচল থাকবে।
- উপরন্তু পলিসির মেয়াদপূর্তি পর্যন্ত বীমাকৃত শিশুকে বীমা অংকের ১% পরিমান অর্থ মাসিক ভাতা হিসাবে প্রদান করা হবে। অধিকন্তু মেয়াদপূর্তির পর বীমাকৃত অর্জিত লাভ সহ পুরো বীমা অংক পাবেন।
শিশুর মৃত্যুতে প্রতিপ্রাপ্য
বীমা সচল থাকা অবস্থায় শিশুর মৃত্যুতে মৃত্যুকালীন বীমার বয়স প্রতি ১ বছরের অর্জিত বোনাস সহ বীমা অংকের ১০% হারে সর্বোচ্চ ১০০% পর্যন্ত প্রদান করা হয়।
অন্যান্য সুবিধাসমূহ
- কমপক্ষে নিয়মিত দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদান করার পর পলিসি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিশোধিত বীমায় রূপান্তরিত হবে।
- প্রদত্ত প্রিমিয়ামের উপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়।
ইসলামী মোহরানা বীমা
বীমার মেয়াদ ও গ্রাহকের বয়স
- ১০, ১৫ ও ২০ বছর মেয়াদী পলিসি গ্রহণ করা যায়।
- বীমার শুরুতে বীমা গ্রাহকের বয়স কোনক্রমেই ন্যূনতম ২৫ এবং সর্বোচ্চ ৫৫ বছর অতিক্রম করতে পারবে না।
প্রিমিয়াম প্রদান
- গ্রাহক কর্তৃক প্রস্তাবিত পূর্ণ মেয়াদ পর্যন্তই প্রিমিয়ামের টাকা জমা দিতে হবে।
- প্রিমিয়াম ত্রৈমাসিক/অর্ধবার্ষিক/বার্ষিক পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাবে।
- তবে যদি কোন গ্রাহক ইচ্ছে করে তাহলে সর্বোচ্চ (১২ মাস) এক বছর এর প্রিমিয়াম অগ্রীম জমা দিতে পারবেন।
প্রিমিয়ামের পরিমাণ
বীমা গ্রাহকের বয়স, বীমা অংক এবং বীমার মেয়াদের উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হবে।
মেয়াদপূর্তিতে প্রতিপ্রাপ্য
বীমাকৃত ব্যক্তি মেয়াদ পর্যন্ত জীবিত থাকলে বীমা অংকের উপর আকর্ষণীয় লাভসহ পুরো বীমা অংক এককালীন আকারে প্রদান করা হয়।
মৃত্যুতে প্রতিপ্রাপ্য
মেয়াদের মধ্যে যে কোন সময় বীমাকৃত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে তার মনোনীতক (স্ত্রী) মৃত্যুদিন পর্যন্ত অজিত লাভসহ পুরো বীমা অংক পাবেন।
অন্যান্য সুবিধাসমূহ
- ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক আল মুদারাবা ভিত্তিতে এই পরিকল্প পরিচালিত।
- এই পরিকল্পে কোন প্রকার সুদ অন্তর্ভুক্ত থাকবে না।
- কমপক্ষে নিয়মিত দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদান করার পর পলিসি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিশোধিত বীমায় রূপান্তরিত হবে।
- কমপক্ষে নিয়মিত দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদান করার পর পলিসিটি সমর্পণ মূল্য অর্জন করে।
- দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদানের পর বীমা চালু থাকলে প্রয়োজনে সমর্পন মূল্যের সর্বোচ্চ ৯০% পলিসি ঋণ গ্রহণ করা যায়।
- প্রদত্ত প্রিমিয়ামের উপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়।
- এই মোহরানা বীমা গ্রহনের মাধ্যমে অনাদায়ী মোহরানা পরিশোধ করা সহজতর হয়।
ইসলামী মেয়াদী হজ্ব বীমা
বীমার মেয়াদ ও গ্রাহকের বয়স
- ১০ ও ১২ বছর মেয়াদী পলিসি গ্রহণ করা যায়।
- বীমার শুরুতে বীমা গ্রাহকের বয়স কোনক্রমেই ন্যূনতম ২০ এবং সর্বোচ্চ ৫০ বছর অতিক্রম করতে পারবে না।
- মেয়াদপূর্তি কালীন বীমা গ্রাহকের বয়স ৬০ বছরের বেশি হবে না।
প্রিমিয়াম প্রদান
- গ্রাহক কর্তৃক প্রস্তাবিত পূর্ণ মেয়াদ পর্যন্তই প্রিমিয়ামের টাকা জমা দিতে হবে।
- প্রিমিয়াম ত্রৈমাসিক/অর্ধবার্ষিক/বার্ষিক পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাবে।
- যদি কোন গ্রাহক ইচ্ছে করে তাহলে সর্বোচ্চ (১২ মাস) এক বছর এর প্রিমিয়াম অগ্রীম জমা দিতে পারবেন।
প্রিমিয়ামের পরিমাণ
বীমা গ্রাহকের বয়স, বীমা অংক এবং বীমার মেয়াদের উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হবে।
মেয়াদপূর্তিতে প্রতিপ্রাপ্য
বীমাকৃত ব্যক্তি মেয়াদ পর্যন্ত জীবিত থাকলে বীমা অংকের উপর আকর্ষণীয় লাভসহ পুরো বীমা অংক এককালীন আকারে প্রদান করা হয়।
মৃত্যুতে প্রতিপ্রাপ্য
বীমা সচল থাকা অবস্থায় মেয়াদের মধ্যে যে কোন সময় বীমাকৃত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে তার মনোনীতক (গণ) মৃত্যুদিন পর্যন্ত অর্জিত লাভসহ পুরো বীমা অংক পাবেন।
অন্যান্য সুবিধাসমূহ
- ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক আল মুদারাবা ভিত্তিতে এই পরিকল্প পরিচালিত।
- এই পরিকল্পে কোন প্রকার সুদ অন্তর্ভুক্ত থাকবে না।
- কমপক্ষে নিয়মিত দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদান করার পর পলিসি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিশোধিত বীমায় রূপান্তরিত হবে।
- কমপক্ষে নিয়মিত দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদান করার পর পলিসিটি সমর্পণ মূল্য অর্জন করে।
- দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদানের পর বীমা চালু থাকলে প্রয়োজনে সমর্পন মূল্যের সর্বোচ্চ ৯০% পলিসি ঋণ গ্রহণ করা যায়।
- প্রদত্ত প্রিমিয়ামের উপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়।
- এই পরিকল্পে কেবলমাত্র হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে মেয়াদের মধ্যে বীমা অংকের নির্দিষ্ট পরিমান টাকা একবারই উত্তোলন করা যায়।
মেয়াদী বীমা
বীমার মেয়াদ ও গ্রাহকের বয়স
- ১০, ১৫, ২০ ও ২৫ বছর মেয়াদী পলিসি গ্রহন করা যায়।
- বীমার শুরুতে বীমা গ্রাহকের বয়স কোনক্রমেই ন্যূনতম ২০ এবং সর্বোচ্চ ৫৫ বছর অতিক্রম করতে পারবে না।
প্রিমিয়াম প্রদান পদ্ধতি
- গ্রাহক কর্তৃক প্রস্তাবিত পূর্ণ মেয়াদ পর্যন্তই প্রিমিয়ামের টাকা জমা দিতে হবে।
- প্রিমিয়াম ত্রৈমাসিক/অর্ধবার্ষিক/বার্ষিক পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাবে।
- তবে যদি কোন গ্রাহক ইচ্ছে করে তাহলে সর্ব্বোচ (১২ মাস) এক বছর এর কিস্তি অগ্রীম জমা দিতে পারবেন।
প্রিমিয়ামের পরিমাণ
বীমা গ্রাহকের বয়স, পলিসির মেয়াদ এবং বীমা অংকের উপর নির্ভর করে নির্ধারণ হবে।
মেয়াদপূর্তিতে প্রতিপ্রাপ্য
বীমাকৃত ব্যক্তি মেয়াদ পর্যন্ত জীবিত থাকলে বীমা অংকের উপর আর্কষনীয় লাভসহ পুরো বীমা অংক এককালীন আকারে প্রদান করা হয়।
মৃত্যুতে প্রতিপ্রাপ্য
বীমা সচল থাকা অবস্থায় মেয়াদের মধ্যে যে কোন সময় বীমাকৃত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে তার মনোনীতক (গণ) মৃত্যুদিন পর্যন্ত অর্জিত লাভসহ পুরো বীমা অংক পাবেন।
অন্যান্য সুবিধাসমূহ
- কমপক্ষে নিয়মিত দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদান করার পর পলিসিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিশোধিত বীমায় রূপান্তরিত হবে।
- কমপক্ষে নিয়মিত দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদান করার পর পলিসিটি সমর্পণ মূল্য অর্জন করে।
- দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদানের পর বীমা চালু থাকলে প্রয়োজনে সমর্পণ মূল্যের সর্বোচ্চ ৯০% পলিসি ঋণ গ্রহণ করা যায়।
- প্রদত্ত প্রিমিয়ামের উপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়।
- ন্যূনতম প্রিমিয়াম জমা প্রদান করে সহযোগী বীমা নেয়া যায়।
দুর্ঘটনা জনিত মৃত্যু সুবিধা (DIAB)
দুর্ঘটনা জনিত কারণে তাৎক্ষনিক অথবা ৯০ দিনের মধ্যে বীমাকৃত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে বীমা অংকের দ্বিগুণ অর্থ তার মনোনীতক (গণ) কে প্রদান করা হয়।
দুর্ঘটনা জনিত মৃত্যু ও অঙ্গহানী সুবিধা (PDAB)
দুর্ঘটনা জনিত শারীরিক আঘাতের ফলে ৯০ দিনের মধ্যে বীমাকৃত ব্যক্তির মৃত্যু হলে অথবা পঙ্গুত্ব ঘটলে নিম্নোক্ত সুবিধা প্রদান করা হয়।
বীমা অংকের দ্বিগুণ অর্থ তার মনোনীত (গণ) কে প্রদান করা হয়।
বীমা অংকের অর্ধেক টাকা প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে সহযোগী প্রিমিয়াম বাদ দিয়ে ভবিষ্যতের দেয় প্রিমিয়াম চালু থাকবে এবং মেয়াদান্তে আকর্ষনীয় লাভসহ পুরো বীমা অংক এককালীন আকারে প্রদান করা হয়।
- বীমা অংকের সমপরিমাণ টাকা প্রদান করা হয়। ভবিষ্যতের সকল পরিশোধযোগ্য প্রিমিয়াম মওকুফ হয়ে যাবে এবং পলিসিটি পুরোপুরি সচল থাকবে।
- মেয়াদান্তে আকর্ষনীয় লাভ সহ পুরো বীমা অংক এককালীন আকারে প্রদান করা হয়।
সন্ধানী ডিপিএস
বীমার মেয়াদ ও গ্রাহকের বয়স
- ১০, ১৫ ও ২০ বছর মেয়াদী পলিসি গ্রহণ করা যায়।
- বীমার শুরুতে বীমা গ্রাহকের বয়স কোনক্রমেই ন্যূনতম ১৮ এবং সর্বোচ্চ ৫৫ বৎসর অতিক্রম করতে পারবে না।
প্রিমিয়াম প্রদান পদ্ধতি
- গ্রাহক কর্তৃক প্রস্তাবিত পূর্ন মেয়াদ পর্যন্ত মাসিক ভিত্তিতে প্রিমিয়ামের টাকা জমা দিতে হবে।
- তবে যদি কোন গ্রাহক ইচ্ছে করে তাহলে সর্বোচ্চ (১২ মাস) এক বছর এর প্রিমিয়াম অগ্রীম জমা দিতে পারবেন।
বীমা অংক ও মাসিক প্রিমিয়ামের পরিমাণ
- বীমা অংক ন্যূনতম ১২,০০০/- (বার হাজার) টাকা থেকে তদূর্ধ্ব।
- মাসিক প্রিমিয়াম ন্যূনতম ১০০/- (একশত) টাকা থেকে তদূর্ধ্ব।
মেয়াদপূর্তিতে প্রতিপ্রাপ্য
বীমাকৃত ব্যক্তি মেয়াদ পর্যন্ত জীবিত থাকলে বীমা অংকের উপর আর্কষনীয় লাভসহ পুরো বীমা অংক এককালীন আকারে প্রদান করা হয়।
মৃত্যুতে প্রতিপ্রাপ্য
বীমা সচল থাকা অবস্থায় মেয়াদের মধ্যে যে কোন সময় বীমাকৃত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে তার মনোনীতক (গণ) মৃত্যুদিন পর্যন্ত অর্জিত লাভসহ পুরো বীমা অংক পাবেন।
অন্যান্য সুবিধাসমূহ
- মাসিক পদ্ধতিতে প্রিমিয়াম জমা নেওয়া হয় বিধায় স্বল্প আয়ের কর্মজীবি মানুষ বীমা চালু রাখতে সক্ষম হয়।
- কমপক্ষে নিয়মিত দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদান করার পর পলিসিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিশোধিত বীমায় রূপান্তরিত হবে।
- কমপক্ষে নিয়মিত দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদান করার পর পলিসিটি সমর্পণ মূল্য অর্জন করে।
- দুই বছর প্রিমিয়াম প্রদানের পর বীমা চালু থাকলে প্রয়োজনে সমর্পণ মূল্যের সর্বোচ্চ ৯০% পলিসি ঋণ গ্রহণ করা যায়।
- প্রদত্ত প্রিমিয়ামের উপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়।
































